ওয়েবসাইটে ভিজিটর কম? দেখে নিন সাইটে ভিজিটর বাড়ানোর কার্যকারী উপাই গুলো

Posted on : October 26, 2018 | post in : Blogspot Seo,Seo Tips |Leave a reply |

ওয়েবসাইট ভিজিটর বা ট্রাফিক বৃদ্ধি করার কার্যকারি উপাই গুলো জেনে নিন !

ওয়েবসাইট ভিজিটর বা ট্রাপিক কী ? যদিও সবাই জানি তারপরও নতুনদের জন্য একটু বলছি !

ওয়েবসাইট ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানোর উপাই

    ট্রাফিক মানে ভিজিটর এটা ইংরেজি শব্দ৷ আমাদের সাইটে যারা আসবে তারাই ভিজিটর ৷

চলুন জেনে নেই কিভাবে web site এ ভিজিটর আনা জাই !

    অর্থের দিক বিবেচনা করলে ট্রাফিক পাওয়ার 2টি উপাই রয়েছে ৷
  • 1.ফ্রি ট্রাফিক
    1. সহজ ভাষায় টাকা খরচ ছাড়া যে ভাবে ওয়েবসাইট ভিজিটর পাওয়া যাই তাকে ফ্রি

 

    ট্রফিক বলে৷ ফ্রি ট্রফিক এর জন্য google বাবা এবং Facebook রহমান ত রয়েছ ৷
  • 2.পেইড ট্রাফিক
    সহজ কথাই টাকা দিয়ে যে ভিজিটর আনা হই সাইটে তাকে পেইড ভিজিটর বলে ৷

সোশ্যাল মিডিয়া মারর্কটিংং

facebook,twitter,youtube,googleplus,instagram etc .

    একটি ওয়েবসাইট যখন নতুন তৈরি করা হই তখন সে ওয়েবসাইট সম্পর্কে কেউ জানে না।
    তাই ওয়েব সাইট তৈরির পর প্রধান কাজ হল টার্গেটের ভিজিটর দের কাছে সাইট পোছানো
    ৷ আর এই কাজটি করার জন্য আমাদের সাহায্য করবে সোশ্যাল মিডিয়া ৷

আর এই জন্য আপনাকে ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার, স্নাপচ্যাট, রেডিট ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো ধারনা বা এক্সপাট এবং শক্ত হতে হবে ৷

    1. তাহলেই খুব সহজেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য এইসব সোশ্যাল মিডিয়া সাইট থেকে প্রচুর পরিমানে ওয়েবসাইট ভিজিটর
    ডাইভার্ট করে আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে আসতে পারেন এবং সাইট পাবলিস করতে পারেন ৷
    আর এখন পিচ্ছি পাচ্ছি থেকে শুরু করে যুবক,যুবতি! বৃদ্ধ সবাই ফেসবুক চালাই ৷
    এখন ত প্রায় স্মার্ট ফোন ধারী 90% মানুষই facebook চালাই
    এবং দিনের বেশি সময় ফেসবুকে থাকে ৷ তাই আমাদের ফেসবুক এ পপুলার হতে হবে ৷
    এ থেকে বুঝে যাই যে সোশ্যাল মিডিয়াগুলো ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়ানোর জন্য কতোটা গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে।

এসিও বা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (webmastertool)

    সার্চ ইন্জিন ছাড়া সাইটের উন্নতি জীবনেও সম্ভাব হবে না ৷ গুগল,ইয়াহু,বিং সহ অনেক সার্চ ইন্জিন রয়েছে ৷
    নতুন অথবা পুরনো,ফ্রি অথবা পেইড যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইটে এ ভিজিটর বাড়ানোর অন্যতম এবং
    শেষ্ট উপায় হচছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন বা SEO।
    সার্চইন্জিন গুলোতে আমরা বিভিন্ন কী-ওয়ার্ড লিখে সার্চ করি, সার্চ রেজাল্টে প্রথমে
    যে ২-৩ টা ওয়েবসাইট এর লিংক আসে আমরা সাধারনত সেই সাইট গুলোতে ভিজিট করে থাকি।
    আর এই সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনাবা SEO এর মূল কাজই হলো ওয়েবসাইটকে সার্চ রেজাল্টের উপরে তুলে আনা।
    যেমন: (google webmastertool) ৷
    অবশ্য সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন বা seo এর ব্যাপ্তি অনেক বড় ৷
    SEO সুরু করার আগে on page, of page, titale এবং img অপটিাইজেশন, কীওয়ার্ড রিসার্চ, backlink etc এই ব্যাপার গুলো
    সম্পর্কে পরিপূর্ন ধারনা থাকা প্রয়োজন। না হলে আপনি কখনও এসিও করতে পারবেন না ৷

প্রশ্ন-উত্তর বা ফোরম পোষ্টিং সাইট

      1. ওয়েবসাইট ভিজিটর

আনার অরেকটি অন্যতম উপায় হচছে ফোরাম পোষ্টিং এবং প্রশ্ন-উত্তর সাইট।

    ফোরাম এবং প্রশ্ন-উত্তর সাইটগুলোতে মানুষ বিভিন্ন ব্যাপারে জানতে চেয়ে পোষ্ট করে।
    সেখানে ভিজিটর যে বিষয়ে জানতে চায় সে সম্পর্কে কিছু ইনফরমেশন দিয়ে আরর্টিকেল লিখে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দিলে ওই সাইট গুলো থেকে ট্রাফিক আপনার সাইটে আসবে।

ওয়েবসাইট ভিজিটর আনতে ভিডিও মার্কেটিং (video markating)

    ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার জন্য ভিডিও মার্কেটিং হতে পারে আরেকটি মাধ্যম।
    ভিডিও শেয়ারিং ওয়বেসোইট গুলোতে নিশ রিলেটেড ভিডিও পোষ্ট করে ডিসক্রিপশনে ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করলে ওই ভিডিও থেকে ভিজিটরকে নিজের ওয়বেসোইটে আনা যাই ৷

যেমন : youtube এ ভিডিও দিয়ে ডিসক্রিপশনে সাইটের লিংক দিলে সেখান থেকেও ভিজিটর আসবে সাইটে ৷
নিচে লিষ্ট দেওয়া হল :-

  • https://www.youtube.com
    https://vimeo.com
    http://www.ustream.tv
    https://vine.co
    http://www.hulu.com

Blog Commenting

    ওয়েবসাইটে ভিজিটর অনার আরেকটি অণ্যতম পদ্ধতি হতে পারে ব্লগ কমেন্ট।
    নিশ রিলেটেড বা আপনার সাইট কেটাগরি অনুযায়ী ব্লগ গুলো খুজে বের করে কমেন্ট অপশনে কমেন্ট করে সাইটের লিংক হাইপার লিংক করে দিতে হয়।

এর ফলে সেই লিংকের মাধ্যমে ওই ওয়েবসাইট ভিজিটর রা আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে।

    এটি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর ভাষায় বলাহয় backlink।

    এর ফলে সাইটে যেমন ভিজিটর আসে তেমনি গুগল সার্চ রেজাল্টেও সাইট উপরের দিকে চলে আসে।

তবে ব্লগ কমেন্ট বা ব্যাংকলিংক ক্রিয়েট করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে সাইট থেকে আমরা ব্যাকলিংক নিচ্ছি সেটা যেনো অবশ্যই নিশ রিলেটেড হয়।

তা না হলে google সেই ব্যাক লিংককে ভ্যালু দিবে না।

    উপরের আলোচনার মাধ্যমে আমরা এতক্ষন ওয়বসাইটে কিভাবে ভিজিটর আনা যায় সে ব্যাপারে ধারনা পেলাম। তবে মূল কাজটা কিন্তু এখানেই শেষ না।

বরং মূল কাজটা মাত্র শুরু। কারন শুধু একটা ওয়েবসাইট ভিজিটর আনলেই হবে না। সেই ভিজিটরকে অবশ্যই সাইটে ধরে রাখার চেষ্টা করতে হবে।

    এর বাইরে দেখাযায় অনেক ভিজিটর ওয়েবসাইট লোড হওয়ার পরপর ই ভিজিটর সাইট টি বন্ধ করে দেন। এটা যেকোনো ওয়েবসাইটের জন্য খুবই খারাপ লক্ষন। ওর ফলে ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট বেড়ে যায়।

ওয়েবসাইট ভিজিটর বাউন্স রেট কী?

    site বাউন্স রেট সব সময় % হিসেবে প্রকাশ করা হয়। বাউন্স রেট হলো এমন একটা % যেটা দ্বারা বোঝানো হয় যে কোন
    ওয়েবসাইটে ভিজিটর আসার পর মোট ভিজিটরের কতো % অন্য কোনো পেজ ভিজিট না করেই বন্ধ করে দিয়েছে বা অন্য সাইটে চলে গেছে ৷

অর্থাৎ যদি আপনার ওয়েবসাইটের মোট ভিজিটর যদি হয় ১০০০ জন তার মধ্যে ৬০০ জন্যই আপনার সাইটের home page লোড হওয়ার পর

অণ্য কোনো পেজ ভিজিট না করেই আপনার ওয়েবসাইট টি বন্ধ করে দেয় তবে আপনার ওয়েবসাইটের বাউন্সরেট হবে ৬০%।

বাউন্স রেট স্টান্ডার্ড কত হলে ভাল হই ?

  • 25% এর কম খুব ভালো
    ৪১% – 50% ভালো
    ৫৬% – 65% খুব ভালো নয়
    65% এর বেশী খুব খারাপ অবস্থা

ওয়েবসাইট ভিজিটর এহ চাহিদা পূরণ না হওয়া

এটা খুবই গুরুত্বপূর্ন একটা ব্যাপার যে, আপনার ধারনা থাকতে হবে একজন ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট থেকে কি ধরনের কন্টেন্ট এক্সপেক্ট করতে পারে।

অপনার অবশ্যই উচিত হবে সেই ধরনের কান্টেন্ট ই ওয়েবসইটে রাখা। ধরা যাক একজন ভিজিটর seo শিখতে আসছে আপনার সাইটে ৷

    এখন সে দেখল আপনার সাইট এ seo কিনে কোন post নাই ৷
    এখানে ভিজিটরের চাহিদা পূরন না হওয়ার কারনে ভিজিটর সাথে সাথে সেই ওয়েবসাইট টি অফ করে দিবে ৷
    মূলকথা প্রতিটা ওয়েবসাইটের ভিজিটরই সাইটের প্রাণ ৷

এখন কথা হল ভিজিটর ত আনলেন এবার ভিজিট ধরে রাখতে ত হবে নাকি ?

ওয়েবসাইটে ভিজিটর ধরে রাখার আটটি উপায়

  • ১. সাইটে ভিজিটর ধরে রাখতে ইউনিক এবং ইনফরমেটিভ কন্টেন্ট পোষ্ট করা

কন্টেন্টের ব্যাপারে একটা ব্যাপার আমরা সবাই জানি। তা হলো “Content Is King” যেকোন ধরনের ওয়েবসাইট ই হোক না কেনো কন্টেন্ট বা post সবসময়ই নতুন এবং কপি পোষ্ট ছাড়া হতে হবে ৷

বাংলা এবং কলকাতা গে মত মাদরাজি ছবি কপি করে post করলে চলবে না ।

কন্টেন্ট লেখা এবং সাইটে পাবলিশ করার আগে খেয়াল রাখতে লেখাটি ইউনিক এবং তথ্য বহুল কিনা। কন্টেন্ট ইউনিক এবং ইনফরমেটিভ হলে ভিজিটর সেই সাইটে বেশি বেশি আসবে ৷

  • ২. সাইটে ভিজিটর ধরে রাখতে আকর্ষনীয় ছবি

ফটো / ইমেজ যেকোনো ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়াতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকে।

সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যন্ন প্লাটফর্মে একটি সুন্দর কিলিয়ার ফটোর সাথে ওয়েবসাইটের লিংক দেয়া থাকলে অনেক ভিজিটর ওয়েবসাইট চলে আসে।

  • ৩. ওয়েসবাইট দ্রুত লোড হওয়া

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে একজন ভিজিটর একটি ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য নরমালি ৩সেকেন্ড সময় নেন।

অর্থাৎ যদি ৩ সেকেন্ডের মধ্যে কোনো সাইট লোড না নেয় তবে ভিজিটর বিরক্ত হয় এবং সাইট ভিজিট করা থেকে বিরত থাকেন । তাই

ওয়েবসাইটের স্পিড ফাষ্ট করতে হবে ৷ google অনেক টিপস আছে এ ব্যাপারে ওখান থেকে দেখে নিন ৷

  • ৪. রেসপন্সিভ বা ইউজার ফ্রেন্ডলি সাইট তৈরি করতে হবে ৷

পিসি, ল্যাপটপ, ফোন, ট্যাবলেট সবকিছুর স্ক্রিন একই রকম না, রেসপন্সিভ বলতে বুঝানো হয়েছে যে সাইট গুলো পিসি, ল্যাপটপ,

ফোন, ট্যাবলেট সবকিছুতেই সমান ভাবে লোড নিতে পারে এবং ডাটা রিসিভ করতে কোনো সমস্যা হয় না এরক ভাবে ওয়েবসাইট বানাতে হবে ৷

  • ৫. সাইটে কমেন্ট করার অপশন রাখা এবং দ্রুত রিপ্লাই দেয়া

সাইটের কন্টেন্ট অপশনের কমেন্ট সেকশন টা চালু করে দিতে হবে। এর ফলে যা হবে ভিজিটর রা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করে থাকে।

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর যখন সাইটের অথরের কাছে যায় তখন তিনি রিপলে দেন।

 

এর ফলে ভিজিটর ই মেইলে একটা ইমেইল যায়। যার ফলে ভিজিটর অথরের রিপলে পড়ার জন্য হলেও আবার ওয়েবসাইট টিতে আরেকবার ভিজিট করে।

  • ৬. ডাটা এনালাইসিস করা

ওয়েবসাইট অথরিটিদের একটি গুরুত্বপূর্ন কাজ হলে ডাটা এনালাইসিস কর। এর থেকে বোঝা যায় কোন বয়স এবং কারা কিংবা কোন তারিখ বা সময়ে ভিজিটর বেশি থাকে।

সেই অনুযায়ী post করে পরবর্তী পোষ্ট গুলোতে এটা ইমপ্লিমেন্ট করলে ভিজিটর সংখ্যা অবশ্যই বাড়বে। এর জন্য আপনি চাইলে গুগল এ্যানালাইটিকস ব্যবহার করতে পারেন।

  • ৭. সোশ্যাল মিডিয়াতে একটিভ থাকা

আরেকটি গুরুত্বপূর্ন কাজ হলো বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে (যেমন: facebook ) একটভি থাকতে হবে । এর ফলে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ভিজিটর আসার চান্স অনেক গুণ বেড়ে যাবে।

  • ৮. হাইপার লিংক / ইন্টানাল লিংক বৃদ্ধি করা

যে কোনো পোষ্টে হাইপার লিংক / ইন্টারর্নাল লিংক খুবই গুরুত্বপূর্ন ।

 

মনেকরা যাক আপনি একটা আর্টিকেল লিখছেন সানিলিওন এর জনপ্রিয়তা নিয়ে but আপনি এর আগেও সানিলিওন এর জনপ্রিয়তা নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখেছেন।

আপনি চাইলে আপনি আপনার মেইন আর্টিকেল এর সাথ জনপ্রিয়তা এর প্রথম post এর টাইটেলটি ট্যাগ করে দিতে পারেন।

এরফলে যা হবে মেইন কন্টেন্ট এর জন্য আপনি তো ভিজিটর পাচ্ছেন ই এর পাশাপাশি ইন্টার্নাল লিংক করা পেজটি ভিজিট করার একটা চান্স থাকবে।

 

আশাকরি উপরক্ত বিষয় গুলো ফলো করে কাজ করলে আপনি অনেক ট্রাফিক পাবেন ৷ সবাই ভাল থাকবেন এবংং কোন ভুল হলে ক্ষমা করবেন ৷

l love TipscountBD

Tags: ,

Leave a Reply

 
Theme Designed Bybody{border:6px solid orange; margin:6px;}