অনলাইনে আয় করতে চান ? online earning এর 20+ উপাই আপনিও পারবেন..

Posted on : March 3, 2020 | post in : Online Earning |Leave a reply |

অনলাইনে আয়

online আয় বলতে আমরা সাধারণত বুঝি যে online এর মাধ্যমে ইনকাম করা ৷

অনলাইন থেকে আয় করতে অনেকেই চান ৷ But কিভাবে অনলাইন থেকে আয় করতে হই সেই বিষয়ে অনেকেই জানেন না ৷

আপনি কি অনলাইনে আয় করতে চান ?

online আয় করতে চান ? সঠিক গাইলাইন নিন সাথে অনলাইনে আয় এর 25+ উপায়

  • উত্তর : হ্যাঁ হলে পুরা Topic টা পড়ুন ৷ না হলে কিছুই বুঝবেন না ৷
  • আজ আমি অনলাইনে আয় এর বিষয়ে মুটামুটি a to z ধারণা দেয়ার চেষ্টা করব !
  •  ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করার জন্য এই লেখাটি ।
  • যেহেতু online earn এর বিষয়ে a to z আলোচনা করব তাই টিউটোরিয়াল টি একটু বড় হবে ৷
  • Freelancing ই হতে পারে আপনার জীবনের ক্যারিয়ার ৷
  • অবশ্যই পুরাটা TOPIC  পড়বেন না হলে আপনি অনলাইনে আয় এর বিষয়ে সব জানতে পারবেন না ৷

অনলাইনে আয় নীয়ে আমরা কিছু প্রশ্ন এর জবাব খুজব  ! চলুন শুরু করি :-

অনলাইনে আয় করতে চান ? online earning এর 20+ উপাই আপনিও পারবেন..

 

অনলাইনে কি আয় করা যায় ?

  • উত্তর: হ্যাঁ ! অবশ্যই অনলাইন থেকে আয় করা যাই ৷
  • আপনি অবশ্যই Freelancing এর নাম সুনেছেন ৷ Freelancing রা মুলত অনলাইন এর মাধ্যমে earn করে থাকে ৷
  • অনলাইনে এর মাধ্যমে এক দেশে বসে অন্য দেশের কোন ব্যাক্তির বা প্রতিষ্ঠানের কাজ করে দেওয়া কে ফ্রিলান্সিং

 

এখন জানতে চাইতে পারেন ফ্রিলান্সিং করে কি পরিমান আয় করা সম্ভাব ?

  • আসলে এখানে ধরা বানদা কোন রেট নাই ৷ আপনি মাসে 5k $ ও আয় করতে পারেন ৷
  • online থেকে কত আয় করতে পারেন সেটা নির্ভর করবে আপনার কাজের ও পরিশ্রমের উপর ৷

কি ভাবে অনলাইনে আয় করা যায় ?

আপনারা আগেই জেনেছেন যে , online আয় করার অনেক মাধ্যম আছে ৷

  • হ্যাঁ, অনলাইনে আয়ের বিভিন্ন উপায় রয়েছে, তার মধ্যে সেরা এবং গ্যারান্টিড উপায় হল freelancing করা।
  • freelancing হল একটি স্বাধীন পেশা ।
  • ফ্রিলান্সিং আপনাকে কোন  ইনভেস্ট করতে হবে না ।
  • আপনার ইচছা অনুযায়ী কাজ করতে পারবেন ৷
  • online এ কাজের জন্য আপনাকে কোন জবাব দিতে হবে না কাওকে ৷
  • onlin  আপনি ঠিক যত টুকু কাজ করবেন তার টাকা আপনি পেয়ে যাবেন ।

একখ প্রশ্ন হল কাজ করতে হলে ত আপনাকে আগে অবশ্যই কাজ শিখতে হব ?

  • এই ক্ষেত্রে আপনার একমাত্র ইনভেস্টমেন্ট হচ্ছে আপনার শ্রম আর মেধা।
  • আপনি বিভিন্ন প্রতিষ্টান থেকে কাজ শিখতে পারেন  ৷

কিভাবে সহজে অনলাইনে আয় করা যায় ?

  • নতুনদের জন্য সবচেয়ে সহজ কাজ কোনটি online এ ?
  • এর  উত্তর হল – আসলে online কোন কাজই সহজ নাা আবার অনেক কঠিন ও নয়
  • হ্যা, অবশ্যই ভালো করে জেনে রাখুন, internet এ ইনকাম একদম পানির মত না।
  • তবে আপনি ভাল পরিশ্রম করতে পারলে  এমন পরিমাণ আয় করতে পারবেন
  • যা আপনি সারা জীবনেও হয়ত লোকাল কোন কম্পনীতে বা সরকারি চাকরী করে আয় করতে পারতেন না।

কি কি উপায়ে অনলাইনে আয় করা যায় ?

1xbet কী ? কিভাবে একাউন্ট করবেন ? কি ভাবে বাজি ধরবেন ? 1xbet A to Z

 

আসলে অনলাইনে কাজের কোন শেষ নাই ৷ অনেক ভাবে অনলাইন থেকে আয় করা যাই ৷

এখানে সব বলা সম্ভাব না ৷ তার পরও আমি যতদুর পারি সব বিষয়ে ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করব ৷

অনলাইনে আয় এর ৪০ প্লাস উপাই !

ফ্রিল্যান্সিং করে আয়

  • Freelancing এর জগতে হাতে খড়ি হতে প্রয়োজন অনেক সাধনা, ত্যাগ আর ধৈর্য।
  • এর কোনটি আপনি ধরে রাখতে না পারলে সফল হওয়া সম্ভব নয়।

চলুন দেখে আসি অনলাইনে আয় করতে গেলে কি কি প্রতিবন্ধকতা আসতে পারে।

Freelancing শুরু করতে যাওয়ার আগে যা আপনাকে জানতে হবে …

  1. Freelancing শুরু করতে গেলে প্রথমেই অনেক বড় ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হবে এমন মানসিকতা নিয়েই কাজ শুরু করতে হবে ।
  2. প্রথমেই যে কোনো মার্কেট প্লেসে একাউন্ট করতে হবে ODESK, FREELANCER এবং ELANCE পৃথিবীর সবচেয়ে পপুলার আউট সোর্সিং মার্কেট প্লেস ।
  3. কখনোই মনে করে যাবেনা Freelancing শুরু করেই রাতারাতি বড় লোক হয়ে যাব ।

 

Google Adsense earning

high cpc country list for google adsense by 2019. how to find best cpc...

Google Adsense হলো সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল পরিচালিত একটি ওয়েব Advertizing  প্লাটফর্ম।

Adsense মূলত একটি লাভ-অংশিদারী প্রকল্প যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী তার Website ব্যবহৃত বিজ্ঞাপন থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

একটি Website মালিক কিছু শর্তসাপেক্ষে তার SITE Adsense নির্ধারিত বিজ্ঞাপণ প্রদর্শন করতে পারেন এবং তা থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

Bangladesh ফ্রিল্যান্সিং বা অনলাইনে আয়ের বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে যে পরিমান আয় আসে তার প্রায় 12% আসে Adsense থেকে।

এক্ষেত্রে মূলত বিভিন্ন Blog Site Google Adsense Add বসিয়ে এ পরিমান আয় করেন বাংলাদেশি Google Adsense পাবলিশাররা।

 

Google Adsense A  আবেদনের সময় যেসকল বিষয় মাথায় রাখবেন :

  1. Google Adsense এ আবেদন করার জন্য সর্বনিম্ন কতটি পোস্ট থাকতে হবে এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট কোন উত্তর নেই।
  2. কিন্তু অবশ্যই ২০-২৫ টি অরিজিনাল কন্টেন্ট  এবং যেগুলোর ওয়ার্ড লিমিট নিয়ে খুব বেশি না ভাবলেও ইউজার যাতে ঐ বিষয়ের সম্পূর্ণ WH question সেই লেখা থেকেই পায়,
  3. তবে মনে রাখবেন সর্বনিম্ন ২৮০-৩০০ World নিচে জেনো না হয়কোন লেখা ৷
  4. site ar  বয়স বাড়তে দিন, আজকে সাইট খুলেই ১০/১২ টা লেখা দিলেন আর এপ্লাই করে ফেললেন সাথে এপ্রুভাল পাবেন এমন ভাবনা থেকে বেড়িয়ে আসুন।
  5. মনে রাখবেন অপরিপক্ক গাছ থেকে যেমন ফল আশা করা যায় না, তেমন ই অপরিপক্ক website থেকেও ভালো earing আশা করা বোকামি।
  6. পোষ্ট গুলো লিখার সময় টপিক্স রিলেটেড মোটামুটি ভালো সিপিস আছে ও হাই কম্পিটেটিভ  Keyword টার্গেট করে পোষ্ট লিখবেন এতে করে গুগল আপনার সাইটে AD দিতে বেশ আগ্রহী হবে, এবং দ্রুত Adsense এপ্রুভাল পাওয়া যাবে।
  7.  Adsense আপ্লাই করার পূর্বে অবশ্যই সব গুলো পোষ্ট যাতে সার্চ ইঞ্জিনে ইনডেক্স হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  8. website এ ভিজিটর নাই এমন site নিশ্চই google অ্যাড বাসাতে আগ্রহি হবে না, মোটা কথা, সাইটে ভিজিটর বাড়ীয়ে নিন তারপর আবেদন করুন adsense এ ।
  9. উপরে আলোচিত কাজ সঠিক ভাবে  করুন এবং তারপর এডসেন্স এ আবেদন করুন।

এখান থেকে এবিষয়ে আর জেনে নিন

আর্টিকেল লিখে আয়

অনলাইনে লেখালেখি করে আয় আউটর্সোসিং

অনলাইনে লেখালেখি করে আয় আউটর্সোসিং

 

আর্টিকেল বলতে এখানে আপনার লেখা বিষয় কে বুঝান  হচছে ৷

ওডেস্ক, ইল্যান্স, ফ্রিল্যান্সার ইত্যাদি website এর পাশাপাশি ও অনেক site রয়েছে যেখানে আপনি লেখা-লেখি করে আয় করতে পারবেন ।

এই  সব মার্কেটপ্লেস ছাড়াও আরও কিছু মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেসখান থেকে আর্টিকেল লিখে আয় করা যায়। এই রকম ৩ টি website হলো:-

Squidoo.com , ecopywriters.com , triond.com

Youtube থেকে আয় করবেন যেভাবে !

dent app

 

online earing এর অন্যতম সহজ একটি উপাই হল youtube থেকে আয় করা ৷ আর এখানে আপনার কোন বিনিয়গ করতে হবে না ৷

এখান থেকে youtube থেকে আয় করার বিষয়ে বিসতারিত জেনে নিতে পারেন ৷

web Site and Blog

  • অনলাইনে আয়ের অন্যতম একটি উপাই ৷ আপনি যে বিষয়ে খুব দক্ষ সেই বিষয়ে আপনি একটি blog site তৈরি করুন এবং আপনি ঐখানে লেখালেখি করুন ৷
  • এর পর google adsens ad এর মাধ্যমে সাইট থেকে আয় করুন ৷
  • যে মাধ্যম ব্যাবহার করে আপনি আপনার ব্লগ দিয়ে ইনকাম করতে পারবেন, সেগুলা হচ্ছে :

গুগল অ্যাডসেন্সডিরেক্ট অ্যাডভারটাইজমেন্ট: ব্যানার অ্যাডফিচার্রড ব্লগ পোস্টব্যাকলিংক বিক্রিঅ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংনিবন্ধ লিখে আয় রোজগারব্লগে নিজের মতামত প্রকাশের জন্যে টাকা।

 

ব্যানার অ্যাড

  1. যদি আপনার করা সাইটে ট্রাফিক অনেক বেশি হয়, তাহলে আপনি আপনার ব্লগে সরাসরি ব্যানার বিজ্ঞাপন বসিয়ে ভালো আয় করতে পারেন।
  2. আপনার ভিজিটর যত বাড়বে, আপনার অ্যাডভারটাইজার অর্থাৎ যে আপনাকে বিজ্ঞাপনটি দিয়েছেন, তিনি আপনাকে বেশি পে করতে উৎসাহিত হবেন।
  3. এক্ষেত্রে আপনি ব্যানার বিজ্ঞাপনের জন্য কত টাকা নিবেন সেটি আপনার উপর নির্ভর করবে।
  4. সাধারণত একটি ব্লগে ২৫০ বাই ২৫০ পিক্সেল এর ব্যানার অ্যাডের জন্য প্রতি মাসে ৫০ ডলার পাওয়া যেতে পারেন, এটি মোটেই খারাপ নয়।
  5. যেসব ব্লগের ট্রাফিক অপেক্ষাকৃত বেশি তারা এর থেকে বেশি চার্জ নির্ধারণ করতে পারেন।
  6. ডিরেক্ট অ্যাডভারটাইজিংয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অসুবিধা হলো এক্ষেত্রে আপনাকে নিজে বিজ্ঞাপন খুঁজে পেতে হবে।
  7. আপনাকে তাদের কাছে আপনার ব্লগে তারা বিজ্ঞাপন দিলে কি কি সুবিধা পাবে এসব নিয়ে একটি প্রোপোজাল লেটার পাঠাতে হবে।
  8. এমনও হতে পারে ব্লগে বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শরনাপন্ন হয়েছেন কিন্তু তাদের মধ্যে অল্পসংখ্যক আপনার প্রস্তাবে রাজি হয়েছে।
  9. তবে আপনার ব্লগটি যদি জনপ্রিয় হয়, আপনি ভালো ট্রাফিক পান তাহলে আপনার ব্লগে ‘‘Advertise Here’’ লিংকটি হোমপেজে রাখতে পারেন।
  10. যদি কোনো অ্যাডভারটাইজার রাজি তাহলে তারা আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবে।

Backlink বিক্রি

backlink seo

  • Backlink হচ্ছে একটি সাইটের পেজর‌্যাংক বাড়ানোর মূল হাতিয়ার।
  • একটি ওয়েবসাইটের কোন পৃষ্ঠায় যদি অন্য একটি সাইটের লিংক থাকে তাহলে দ্বিতীয় সাইটের জন্য এই লিংককে বলা হয় ব্যাকলিংক বা ইনকামিং Link ।
  • আর প্রথম সাইটের জন্য এই লিংকটি হচ্ছে আউটগোয়িং লিংক, অর্থাৎ এই লিংকে ক্লিক করে ব্যবহারকারী দ্বিতীয় সাইটে চলে যাবে।
  • এইভাবে একটি ওয়েবসাইটের যত বেশি ব্যাকলিংক থাকবে সেই ওয়েবসাইটে ব্যবহারকারী আসার প্রবণতা বেড়ে যাবে।
  • পাশাপাশি সার্চ ইঞ্জিনের রোবট প্রোগ্রাম সেই সাইটকে খুব সহজেই খুঁজে পাবে।
  • এজন্য অনেক ওয়েব পাবলিশাররা তার ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ব্লগসাইটের শরণাপন্ন হন।
  • আপনার ব্লগটি জনপ্রিয় হলে আপনি আপনার সাইটে অন্যসাইটের ব্যাকলিংক বাড়ানোর কাজ করতে পারেন।
  • বিভিন্ন আর্টিকেল ডিরেক্টরি সাইটে পোস্ট করেও ব্যাকলিংক পাওয়া যায়। এই কাজটি করা যেতে পারে।
  • সাধারণত একটি ব্যাক লিংকের জন্য ২০/২৫ ডলার চার্জ করতে পারেন।
  • এ কাজটি পেতে যারা ব্যাকলিংক পেতে চায় তাদের কাছে আপনাকে একজন কোয়ালিটি রাইটার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
  • তাদেরকে হাই পিআর ব্যাকলিংকের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে হবে, বিশেষ করে একটি নতুন ওয়েবসাইটের জন্য এটা কতোটা আবশ্যকীয় তা জানানো জরুরী।

টুইটারে আয়

twitter বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয়

  • টুইটারের আরেকটি মজার ব্যাপার হচ্ছে, আপনার যদি প্রচুর সংখ্যক ফলোয়ার বা অনুসারী থাকে,
  • তাহলে আপনি টুইটার থেকে টাকা আয়েরও ব্যবস্থা করতে পারবেন। অবশ্য কাজটি মোটেই সহজ নয়।
  • শুধু ফলোয়ার থাকলেই হবে না, আপনার থাকতে হবে হিউম্যান ফলোয়ার।
  • অর্থাৎ, বট ফলোয়ার থাকলে আপনি বিভিন্ন ওয়েবসাইটে টুইটার থেকে টাকা আয়ের উদ্দেশ্যে সাইন আপ করতে পারবেন ঠিকই, তবে টাকা তেমন একটা আসবে না।
  • কেননা, বট আপনার লিংকে ক্লিক করলেও সে রেজিস্ট্রেশন করবে না।
  • যাই হোক, আসুন জেনে নিই ৪টি ওয়েবসাইটের কথা যারা আপনাকে আপনার টুইটার একাউন্ট থেকে টাকা আয়ের ব্যবস্থা করে দিতে পারে।

Sponsored Tweets

  1. পাঠকদের মধ্যে কেউ যদি IZEA Inc. এর নাম শুনে থাকেন, তাহলে বুঝতেই পারবেন স্পনসর্ড টুইটস কোম্পানিটির অবস্থান।
  2. আইজিয়া ইনকর্পোরেটেড অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে একটি বিশাল মার্কেট ধরে রেখেছে। বেশ কয়েকটি সমৃদ্ধ মার্কেটপ্লেসও রয়েছে এদের।
  3. তাই প্রথম যখন আইজিয়া কর্তৃক sponsored tweets এর ঘোষণা দেয়া হয়, তখন মোটামুটি নাড়া পড়ে যায় ইন্টারনেট জগতে।
  4. স্পনসর্ড টুইটস প্রতিটি সফল আপডেটের জন্য বরাবর ১ ডলার দিয়ে থাকে। তবে আপনি চাইলে যেকোনো সময় এই দাম কমাতে বা বাড়াতে পারবেন।
  5. উল্লেখ্য, দাম কম রাখাই ভালো, কেননা এতে করে বিজ্ঞাপনদাতা বেশি পাওয়া যায়।
  6. যখনই কোনো বিজ্ঞাপনদাতা আপনার টুইটার স্ট্রিমে বিজ্ঞাপন দিতে চান, আপনাকে তা ইমেইল করে জানানো হয়।
  7. আপনি ইচ্ছেমতো তা গ্রহণ বা বর্জন করতে পারবেন। প্রয়োজনে টুইটারের মেসেজটি নিজে নিজে লিখে নিতে পারবেন।
  8. আপনি কোনো বিজ্ঞাপন গ্রহণ করলে তা দশ থেকে পনেরো মিনিটের মধ্যেই আপডেট হবে এবং আপনার একাউন্টে পরবর্তী চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই তার টাকা জমা হবে।
  9. স্পনসর্ড টুইটস আপনাকে পেপালের মাধ্যমে টাকা দিয়ে থাকে। সর্বনিম্ন ৫০ ডলার হলে আপনি টাকা তুলতে পারবেন। এছাড়াও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের সুবিধাতো রয়েছেই।

ad.ly

  • ad.ly হঠাৎ করেই বেশ নাড়া ফেলে দিয়েছে ইন্টারনেট জগতে। এটি প্রায় নতুন একটি টুইটার অ্যাডভার্টাইজিং কোম্পানি।
  • এদের কনসেপ্টও কিছুটা ভিন্ন। এরা আপনাকে সপ্তাহব্যাপী ক্যামপেইন অফার করবে।
  • অর্থাৎ, টানা এক সপ্তাহের জন্য আপনি টাকা পেয়ে যাবেন যার বিনিময়ে প্রতিদিন আপনার একাউন্ট থেকে একটি করে স্ট্যাটাস আপডেট করা হবে।
  • এক্ষেত্রে সপ্তাহব্যাপী ক্যামপেইনের জন্য কত টাকা নিবেন তা আপনাকেই নির্ধারণ করতে হবে।
  • তবে ভয়ের কোনো কারণ নেই। আপনি যদি বুঝতে না পারেন কত টাকা অফার করা উচিৎ, ad.ly আপনাকে সাহায্য করবে।
  • ad.ly-এ রেজিস্ট্রেশন করে আপনাকে সুযোগ এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে। সাধারণত প্রচুর সংখ্যক সক্রিয় ফলোয়ার না থাকলে এই কোম্পানি থেকে বিজ্ঞাপনদাতা পাওয়া যায় না।
  • যদি আপনি পেয়ে যান, সেক্ষেত্রে আপনি তা গ্রহণ করতে পারবেন। গ্রহণ করার সময়ই আপনাকে নির্ধারণ করে দিতে হবে উইকলি ক্যামপেইনে আপনি কত দাবি করবেন।
  • সেই মূল্য বিজ্ঞাপনদাতার কাছে যাবে এবং তারা যদি সম্মতি দেন, তাহলেই আপনার টুইটার একাউন্টে টানা ৭ দিন প্রতিদিন একটি করে স্পনসর্ড টুইট আপডেট হতে থাকবে।
  • ad.ly এর ওয়েবসাইট ঘেঁটে কত টাকা আয় হলে তা উঠানো যায় এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে পেপালের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করে থাকে কোম্পানিটি।

be-a-magpie

  • be-a-magpieসাইটে রেজিস্ট্রেশন করার পর আপনার একাউন্টের অ্যাকসেস দিয়ে দিতে হবে এই সাইটটিকে।
  • একসেস না দিলেও চলবে তবে একসেস দিয়ে দেয়াটাই ভালো।
  • এর ফলে আপনাকে যখনই কোনো বিজ্ঞাপনদাতা sponsored tweet দিতে আগ্রহী হবে, তখনই বি-এ-ম্যাগপাই এটিকে লাইনে দাঁড় করিয়ে দিবে এবং সময়মতো আপডেট করে দিবে।
  • উল্লেখ্য, আপনি চাইলে অবশ্যই প্রতিটি স্পনসর্ড টুইট আপডেট হওয়ার আগে দেখে নিতে পারবেন। এছাড়াও কতটি টুইটের বিপরীতে একটি করে স্পনসর্ড টুইট আপডেট হবে, তাও সিলেক্ট করে দিতে পারবেন আপনি। ন্যূনতম ৫টি আপডেট/১টি স্পনসর্ড টুইট হচ্ছে ratio।
  • বি-এ-ম্যাগপাই-এ তিন ধরনের স্পনসর্ড টুইট থাকে। পে-পার-ভিউ, পে-পার-ক্লিক এবং পে-পার-অ্যাকশন। নাম শুনেই নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন কোন ধরনের টুইটের কী কাজ।
  • আপনি এগুলোর যেকোনো একটি সিলেক্ট করে রাখতে পারেন অথবা সবগুলোকেই allow করে রাখতে পারেন। পছন্দ আপনার।
  • বি-এ-ম্যাগপাই আপনাকে পেপালের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করবে। এ জন্য আপনার ন্যূনতম ব্যালেন্স হতে হবে ৫০ ডলার।
  • আপনি আপনার ব্যালেন্স দিয়ে প্রয়োজনে বি-এ-ম্যাগপাই নেটওয়ার্কে অ্যাডভার্টাইজিংয়ের কাজেও লেগে যেতে পারেন। এছাড়াও রেফারাল অপশন তো রয়েছেই।

RevTwt

  • www.revtwt.com অনেকটা বি-এ-ম্যাগপাই-এর মতোই। প্রতিটি ভ্যালিড ক্লিকের জন্য রেভিনিউ টুইট দিয়ে থাকে ০.০৪ ডলার থেকে ০.২০ ডলার।
  • বিজ্ঞাপনী টুইট আপডেট হওয়ার আগে চাইলে আপনি দেখে নিতে পারবেন আপনার ড্যাশবোর্ড থেকে।
  • এছাড়াও ইচ্ছে করলে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতেও বিজ্ঞাপনী টুইট পাওয়ামাত্র আপডেট করতে পারবেন আপনি।
  • রেভিনিউ টুইট পেপালের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করে থাকে। আপনার ব্যালেন্স ন্যূনতম ২০ ডলার হলেই আপনি টাকা পেয়ে যাবেন।
  • এছাড়া চেকের মাধ্যমেও টাকা দিয়ে থাকে রেভিনিউ টুইট। সেক্ষেত্রে আপনাকে আপনার ব্যালেন্স ১০০ ডলার হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। লক্ষ্যণীয়
  • টুইটার থেকে আয়ের ব্যাপারটি এখনও প্রায় নতুন। যেহেতু বাংলাদেশে এখনো টুইটার ততোটা জনপ্রিয়তা পায়নি, তাই প্রাথমিক দৃষ্টিতে এটিকে স্বপ্নের মতোই মনে হতে পারে।
  • টুইটার থেকে বড় অংকের টাকা আয় করা সম্ভব। আমেরিকান সেলিব্রেটি Kim Kardashian তার প্রতিটি টুইট এর মাধ্যমে ad.ly থেকে $10,000 পান।
  • তবে এটাকে আপনি অপ্রত্যাশিত আয় বলে ধরে রাখতে পারেন।
  • কারন Kim Kardashian এর যেখানে ২০ লাখ এর বেশি ফলোয়ারস রয়েছে, সেখানে কয়েকশো ফলোয়ার্স দিয়ে আয় করার চিন্তাটা বোকামি।
  • তবে ধীরে ধীরে বিপুল সংখ্যক সক্রিয় ফলোয়ার পেলে আপনিও আয় করতে পারেন টুইটার থেকে।

ফাইভার

  1. Fiverr.com । এই সাইট টির বিশেষত্ব হচ্ছে, এখানে আপনি আপনার পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন বিনা টাকায় দিতে পারবেন।
  2. সেই বিজ্ঞাপন গুলোকে বলা হবে গিগ।
  3. আপনার গিগ যদি কারো পছন্দ হয় তা হলে তিনি $৫ এর বিনিময়ে আপনার গিগ টিকে অর্ডার করতে পারেন। কারন এই সাইট এর সব কাজ ই হয় $৫ এর।
  4. এই সাইট টির ট্রাফিক অত্তন্ত বেশি ( প্রায় ৪০,০০০ প্রতি দিন)। তাই বলা যায় না, ভাগ্য ভালো থাকলে প্রতিদিন ২-৩ টি অর্দার পাওয়া কোন বিষয়ই না।
  5. অনেকেই ৩-৪ টি অর্ডার পায়।

কাজের বা গিগ এর ধরনঃ

  • একটু খেয়াল করলে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন কোন ধরনের গিগ আপনাকে পোস্ট করতে হবে। না না ভয় পাবার কিছু নেই। এখানে রয়েছে বিভিন্ন বিভাগ।
  • এই বিভাগ গুলোর যেকোনোটিতে আপনি যতো খুশি ততো গিগ প্রতিদিন জমা দিতে পারেন।
  • তবে বেশি গিগ দিলেই যে বেশি অর্ডার পাওয়া যায় কথাটি এমনও নয়। আমি এখনও মাঝে মাঝে আমার ১ম গিগ থেকেও অর্ডার পাই।
  • পুরো ব্যাপারটি নির্ভর করছে আপনার গিগ এর ধরন, নিজস্বতা, আর আপনার পণ্যের চাহিদার উপর।
  • বিষয়টি আরও ভালোভাবে বললে, গিগ এর চাহিদা ও আপনার লেখার সৃজনশীলতার উপরই নির্ভর করে আপনার গিগ এর সফলতা।
  • আপনি যদি নিজেকে সৃজনশীল ভাবে উপস্থাপন করতে পারেন তবে আমার মনে হয়না যে ১ম অর্ডারটি পেতে আপনাকে খুব বেশি আপেক্ষা করতে হবে।
  • তবে, সব সময়ই যে একই ধরনের লেখা লিখে সফল হবেন তা ভাবা টাও ঠিক নই।
  • কখনই অন্যদের গিগ নকল করবেন না। যদি দেখা যাই অর্ডার পাওয়া যাচ্ছে না তাহলে গিগ এর বিষয় পরিবর্তন করুন, লেখায় বৈচিত্র্য আনুন।
  • সফলতা আসবেই। আমি পারছি আপনি কেন পারবেন না? আর এখানে টাকার অঙ্ক টাও কিন্তু নেহাত কম নয়। প্রতিটি গিগ সেল $৫ ।
  • যদিও সাইটটি সার্ভিস চার্জ বাবদ $১ কেটে রেখে $৪ পেমেন্ট করে। এই সাইট এর রেজিস্ট্রেশন এর নিয়ম অন্যান্য সাইট এর মতই খুবই সাধারন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

 

অন্যের পণ্য বা সেবা প্রচার এবং প্রচারণার মাধ্যমে বিক্রি করে দেওয়া বা বিক্রি করতে সাহায্য করা এবং সেটা থেকে নির্দিষ্ট হারে কমিশন গ্রহণ করা হচ্ছে একজন মার্কেটারের অ্যাফিলিয়েশন আয়।

আর এই পুরো প্রক্রিয়াটিই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করার যত উপায় আছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে তন্মধ্যে অন্যতম কার্যকরী মাধ্যম।

এই মাধ্যমকে ব্যবহার করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোন প্রতিষ্ঠানের পণ্যের প্রচার চালিয়ে আয় করতে পারেন ইন্টারনেট মার্কেটাররা।

 

নেটওয়ার্কঃ

  • নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিক করে দেয় কোন পণ্য বিক্রি করলে একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার কত কমিশন পাবেন।
  • নেটওয়ার্কে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা আলাদা অ্যাকাউন্ট থাকে যেখানে তাঁরা তাঁদের আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারে।
  • এছাড়াও নেটওয়ার্ক পাবলিশার এবং উৎপাদনকারীকে নিরাপত্তা দেয়।
  • উৎপাদনকারীর কোন পণ্য বা সেবা যদি কোন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার বিক্রি করে দেয় তাহলে তার প্রাপ্য কমিশন প্রদান করতে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বাধ্য থাকবে।
  • অপর দিকে উৎপাদনকারীর পণ্য বা সেবা যাতে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার তার নির্দিষ্ট নিয়ম কানুন মেনে বিক্রি করে সেটার নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে।
  • আর এই কাজের জন্য নেটওয়ার্ক উভয় পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট হারে কমিশন রাখে। নিচে জনপ্রিয় কিছু নেটওয়ার্কের নাম দেওয়া হল:
  • ক্লিকব্যাংককমিশন জাংশনলিংকশেয়ারআমাজনশেয়ারএসেলওয়ারিয়রপ্লাসঅ্যাফিলিয়েটউইন্ডো
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কোন রকেট সাইন্স না যে আপনাকে শিখতে বছরের পর বছর ব্যয় করতে হবে।
  • ভাল ইংরেজি জানলে আর ঠিকমত অধ্যাবসায় করলে ৩ থেকে ৪ মাসের ভিতরেই আপনি দক্ষ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে পারবেন।
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শেখার জন্য যেসব বিষয় আপনাকে শিখেতে হবে তা হল:
  • সাবলীল ইংরেজি লেখার ক্ষমতা।ব্লগ তৈরি ও তা রক্ষনাবেক্ষণ জানা।ব্লগ প্রমোশনের বা মার্কেটিংয়ের জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) শিখতে হবে।
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং জানতে হবে।ইমেইল মার্কেটিংয়ের দক্ষতা থাকতে হবে।

মাইক্রোওয়ারকার্স

  • মাইক্রোওয়ারকার্স microworkers.com। এই সাইটে ছোট ছোট কিন্তু সহজ কাজ পাওয়া যায়। আর এই কাজ গুলো সম্পাদনা করতে কয়েক মিনিট এর বেশি লাগে না।
  • এই সাইটে সদস্য বা রেজিস্ট্রেশন করার সাথে সাথে পাবেন ১ ডলার । আপনার রেফারেল লিংক ব্যবহার করে কেউ রেজিস্ট্রেশন করলে পাবেন ১ ডলার।
  • আর ছোট ছোট কাজ গুলো থেকে তো ইনকাম হবেই। তবে কাজ সহজ বলে এখানে ইনকামের পরিমান তুলনামূলক কম।
  • এভাবে আপনি ১ থেকে ২ ঘন্টা সময় দিয়ে প্রতিদিন ১ – ৩ ডলার আয় করতে পারেন ইচ্ছে করলে। টাকা পাবেন পে-পাল, মানি-বুকার, চেক ইত্যাদি মাধ্যমে।
  • কেউ কেউ হয়তো ভাবছেন আমি এত বিজ্ঞাপন করছি কেন? তাই না? আমি ভাবলাম আপনারাতো ব্লগে বসে আছেন কিছুনা কিছু শেখার জন্যে।
  • তাই ভাবলাম আপনাদের আমার এই সামান্যতম কষ্ট যদি কারও উপকার করে তাহলে দোষ কি।

শুরু করবেন যেভাবে microworkers

  1. মাইক্রোওয়ারকার্স ডট কম লিংকে ক্লিক করার পর উপরে তাকিয়ে দেখেন Register for free লেখা আছে সেখানে ক্লিক করুন।
  2. রেজিস্ট্রেশন র্ফম পুরন করার পর একাউন্ট চালু করার জন্য আপনার দেওয়া ই-মেইলে একটি লিংক দিবে সেখানে ক্লিক করুন।
  3. সাথে সাথে আপনার একাউন্টে পৌছে যাবে আপনার কাংক্ষিত ১ ডলার ।
  4. এরপর Available jobs এ গিয়ে আপনার পছন্দমত কাজ খুঁজে নিন। যত বেশি কাজ করবেন, তত টাকা পাবেন।

 

Forex কি ?

  • ফরেক্স হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার ক্রয়-বিক্রয়। ফরেক্স মার্কেট এ আপনি একটি দেশের কারেন্সি বিক্রয় করে আর একটি দেশের কারেন্সি ক্রয় করতে পারবেন।
  • উদহারণসরুপ, আমেরিকা বা USA এর কারেন্সি হছে ডলার, ব্রিটেন বা UK এর কারেন্সি হচ্ছে পাউন্ড।
  • ফরেক্স মার্কেট এ আপনি ডলার বিক্রয় করে পাউন্ড অথবা পাউন্ড বিক্রয় করে ডলার কিনতে পারেন।
  • ডলার অথবা পাউন্ড ব্যাতিতও আর বিভিন্ন দেশের কারেন্সি আছে যা ফরেক্স মার্কেট এ আপনি ক্রয়-বিক্রয় করতে পারেন।

কিভাবে ফরেক্স মার্কেট থেকে আয় করা সম্ভব ?

বিভিন্ন দেশের মুদ্রা  পরিবরতনশিল।

আপনি newas paper দেখে থাকবেন যে কখনও কখনও usd টাকার বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে, আবার কখনও টাকা usd এর বিপরীতে শক্তিশালী হচ্চে।

এরকম পৃথিবীর অধিকাংশ মুদ্রার বিপরিতেই হয়।

  • সুতরাং, আপনার যদি doller কেনা থাকে, doller বিপরীতে ইউরো এর দাম পরে গেলে আপনি doller বিক্রয় করে euro কিনে রাখতে পারেন। আবার, euro ডলার এর বিপরীতে শক্তিশালী হলে, euro বিক্রয় করে অধিক ডলার পেতে পারেন।
  • হয়ত আপনার কাছে 1000 doller ছিলো যা sell করে আপনি 800 euro ক্রয় করেছিলেন। পরবর্তীতে euro দাম বাড়ার পর তা বিক্রয় করে 1400 $ পেলেন।
  • এভাবে আপনি আয় করতে পারেন। শেয়ার মার্কেট এ শুধু শেয়ার এর দাম বাড়লেই (buy) আমরা প্রফিট করতে পারি।
  • কিন্তু forx মার্কেট এ, কোন কারেন্সি শক্তিশালী অথবা দুর্বল হক, দুই ক্ষেত্রেই আমাদের প্রফিট করার সুযোগ আছে যেটা ফরেক্স মার্কেটের সবচেয়ে বড় সুবিধা।

আমি কিভাবে $ অথবা অন্যান্য মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় করব?

  • Forex ট্রেড করতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে কোনো একটি ফরেক্স ব্রোকারের সাথে অ্যাকাউন্ট ওপেন করতে হবে ও তাতে ডিপোজিট করতে হবে।
  • account খুব সহজেই ২ মিনিটে অনলাইনে ওপেন করা যায়।
  • আপনি বিভিন্ন অনলাইন মুদ্রা যেমন পেপাল, অ্যালার্ট পে, লিবার্টি রিজার্ভ ইত্যাদি দিয়ে তাৎক্ষণিক আপনার আকাউন্টে ডিপোজিট করতে পারেন ও ফরেক্স ট্রেড করা শুরু করতে পারেন।
  • তবে সাধারনত অধিকাংশ মানুষই ব্যাংক এর মাধ্যমে ফরেক্স ব্রোকারদের সাথে ডিপোজিট করে।
  • সেক্ষেত্রে, অ্যাকাউন্ট ওপেনিং এর পরে, আপনি আপনার ব্রোকারের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বার এবং ব্যাংক ডিপোজিটের বিস্তারিত তথ্য পাবেন।

আপনার Account ডিপোজিট সম্পন্ন হলে আপনি ট্রেড করা শুরু করতে পারবেন। ফরেক্স ট্রেডিং অনলাইনে সফটওয়ারের মাধ্যমে করতে হয়।

এই সফটওয়ার আপনি বিনামূল্যে আপনার ব্রোকারের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

সফটওয়ারটি ইন্সটল করে ব্রোকার প্রদত্ত ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে তাতে সাইন ইন করলেই বিভিন্ন পেয়ারের চার্ট ও মূল্যতালিকা লোড হবে এবং আপনি আপনার ট্রেড ওপেন/ক্লোজ করতে পারবেন।

ছবি তুলে আয়

 

Photography হয়ে থাকেন; তবে আপনার ফটো আপনি বিক্রি করতে পারবেন।
  • অনলাইনে প্রচুর ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি ১ ডলার থেকে শুরু করে 100#  দিয়ে ছবি বিক্রি করার সুযোগ পাবেন।
  • যেসকল সাইটে ছবি বিক্রি করতে পারবেন সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ  iStock  Photo Smug  Mug  Alamy Fotolia  Dreamstime Photo Shelter Shutterstock etc site  .

CPA মার্কেটিং কি ?

  • cpa marketing অর্থাৎ Cost Per Action। সহজভাবে ধরুন কোন কিছু ডাউনলোড,শেয়ার, কোন সাইটে রেজিস্ট্রেশান ইত্যাদি।
  • এফিলিয়েটমার্কেটিং-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হচ্ছে cpa marketing । এটা নতুন একটি এডভাটাইজিং পেমেন্টমডেল যাতে কিছু কাজের উপর নির্ভর করে  পেমেন্ট দেয়া হয়।
  • CPA মার্কেটিং এ আপনাকে পে করা হবেকোন প্রোডাক্ট সেল করার বিনিময়ে নয়, নিদিষ্ট একটিকাজের বিনিময়ে।
  •  যেমন : রেজিষ্টেশন, ইমেল সাবমিট,পিন সাবমিট অথবা ডাইনলোড ইত্যাদি।
  • CPA মার্কেটিংমাধ্যমে এর গড়ে প্রতিটা লিড থেকে $1-$4 আয় হয়।তাই বর্তমানে প্রচলিত এডভাটাইজিং পেমেন্টমডেলগুলোর চেয়ে CPA মার্কেটিং এর মাধ্যেমে সহজেকয়েকগুন বেশি আয় করা সম্ভব।
  • একটা সহজ উদাহরন দেওয়া যাক। ধরুন,  কোন একটি সফটওয়্যার কোম্পানী ডাউনলোড অফার দিল যে,তাদের সফটওয়্যার ডাউনলোড করিয়ে দিতে পারলে পার ডাউনলোড ২ ডলার পেমেন্ট দেয়া হবে।
  •  এখনআপনি যদি একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করিয়েদিতে পারেন তাহলে পার ডাউনলোড এ পাবেন ২ ডলারকরে। এইটাই হচ্ছে সিপিএ মার্কেটিং ।

গ্রাফিক ডিজাইন কাকে বলে ?

আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ

আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ

online earing এর কথা চিনতা করছেন কিন্তু graphic design এর কথা সুনেন নাই এমন লোক খুজে পাওয়া যাবে না ৷

আপনি অনলাইনের এই সেক্টর থেকে অনেক টাকা আয় করতে পারেন ৷

  • Graphic design করা খুবই সহজ, প্রায় সবাই এটা করতে পারে , এমন ভাবা টা ঠিক না ৷
  • গ্রাফিক হল দৃশ্যমান বিষয় ও বস্তু যা আর্ট , কলা , কল্পনা এবং অভিব্যাক্তি যা প্রকাশ দ্বারা গঠিত হয় ৷
  • যখন কোন কাল্পনিক আর্ট কে আমরা একটি পৃষ্ঠে বা সারর্বিসে রূপ দেই তখন তাকে গ্রাফিকস ডিজাইন বলে ৷
  • উদাহরণ :- অঙ্কন করা , লোগ তৈরি , লেখনি , নকশা করা ইত্যাদি ৷

Graphic design কেন শিখবেন ?

  1.  উচ্চতর চাহিদা
  2. উচ্চ বেতন স্কেল
  3. বাড়ীতে বসে কাজ করার সুবিধা
  4. স্বাধীনতা
  5.  ক্রিয়েটিভিটি

 

ডাটা এন্ট্রি কি , কেন, কিভাবে?

Data Entry হচ্ছে কম্পিউটারের মাধ্যমে ডাটা একটি স্থান থেকে অন্য আরেকটি স্থানে পাষ্ট  করা ।

এক কথাই কপি past  হচ্ছে Data Entry .

Data Entry গুলো হতে পারে হাতে লেখা কোন তথ্যকে কম্পিউটারের মাধ্যমে টাইপ করা কিংবা কম্পিউটারের কোন একটি প্রোগ্রামের Data একটি Spreadsheet ফাইলে সংরক্ষণ করা ইত্যাদি।

এখান থেকে এবিষয়ে আর জেনে নিন

ইমেইল মার্কেটিং বলতে কি বুঝাই ?

email mrkiting হল email এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট গ্রাহকের কাছে পণ্য বা সেবা প্রচার-প্রচারনা  করা।

বিজ্ঞাপনের জগতে সবচেয়ে সহজ, সস্তা এবং দ্রুত উপায়ে আপনার পণ্যর বিজ্ঞাপন ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর জন্য কার্যকারি উপায়  হল email markiting ।

ইমেইল মার্কেটিং যেভাবে করবেন ?

  • email markiting করার জন্য প্রথমেই আপনার email list লাগবে ৷
  • আপনি এই কাজটি  করতে পারেন গ্রাহকদের থেকে email adderss কিনে ৷
  • অথবা নিজে থেকে Sarvice নিতে আগ্রহী  এমন গ্রাহকের থেকে তাদের email সংগ্রহ করতে পারেন।

এখান থেকে এবিষয়ে আর জেনে নিন

 

Leave a Reply

 
Theme Designed Bybody{border:6px solid orange; margin:6px;}